Click Below

Breaking

Know more

Search

বুধবার, ২০ জুলাই, ২০২২

টীকা লেখ - সতীদাহ প্রথা || সহমরণ কি? || মাধ্যমিক ইতিহাস




 মাধ্যমিক ইতিহাস 


সংস্কার : বৈশিষ্ট্য ও পর্যালোচনা 



প্রশ্ন,  (টীকা লেখ):- সতীদাহ প্রথা? 


অথবা, 


সতীদাহ প্রথা - সম্পর্কে যা জানো লেখো? 


অথবা 


সহমরণ কি? এর সম্পর্কে যা জানো লেখো?


উত্তর:- 


ভূমিকা - উনি শতকের সূচনা লগ্নেও বাংলা তথা ভারতের হিন্দু সমাজের নারীরা বিভিন্ন ধরনের সামাজিক নির্যাতন ও নিষ্ঠুরতা স্বীকার হতেন। এসব নির্যাতনের মধ্যে অন্যতম ছিল সতীদাহ প্রথা বা সহমরণ


উনিশ শতকের সূচনা লগ্ন পর্যন্ত ভারতের হিন্দু সমাজে স্বামীর মৃত্যুর পর জ্বলন্ত চিতায় তার বিধবা স্ত্রীকেও জীবন্ত অবস্থায় পুড়িয়ে মারার রীতি প্রচলিত ছিল। এই রীতি সতীদাহ প্রথা নামে পরিচিত।


হিন্দু সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি:- তৎকালীন হিন্দু সমাজ স্বামীর মৃত্যুর পর তার বিধবা স্ত্রীকে সতীদাহ বা সহমরণের হাত থেকে রক্ষা না করে বরং ওই প্রথাকে সমর্থন করত এবং ওই বিধবা স্ত্রীকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিত। 


সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি:- ব্রিটিশ সরকার সতীদাহ প্রথার বিরোধী ছিল। কিন্তু তা সত্ত্বেও সরকার প্রথম দিকে এই প্রথা নিষিদ্ধ করে হিন্দু সম্প্রদায়কে ক্ষিপ্ত ও অসন্তুষ্ট করতে চাইনি। 


আন্দোলন:- সমাজ সংস্কারক রাজা রামমোহন রায় সতীদাহ প্রথার বিরুদ্ধে ব্যাপক প্রচার চালিয়ে জনমত গড়ে তুলতে থাকেন। তিনি বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি সহ অসংখ্য মানুষের সাক্ষর সম্বলিত একটি আবেদন পত্র বেন্টিঙ্কের কাছে জমা দেন।


সতীদাহপ্রথা নিষিদ্ধ:- শেষমেষ ভারতের বড়লাট লর্ড বেন্টিঙ্ক সতীদাহ প্রথার কুফল সম্পর্কে অবহিত ছিলেন। শেষ পর্যন্ত রাজা রামমোহন রায়ের সক্রিয় সহযোগিতায় বেন্টিঙ্ক আইন প্রণয়ন করে ১৮২৯ খ্রিস্টাব্দে সতীদাহ প্রথা নিষিদ্ধ করেন।


আরো পড়ুন - উনিশ শতকে বাংলার সমাজ সংস্কারের প্রধান উদ্যোগ কারা নিয়েছিল? - CLICK HERE


কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Click Here